১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: আশফাকুর রহমান

আমার সম্পর্কে : বার্তা বিভাগ প্রধান
প্রচ্ছদ বিভাগ খেলাধুলা

শেষ ওভারে মুম্বাইকে জেতাতে পারলেন না মোস্তাফিজ

ডেস্ক নিউজ: শেষ ওভারে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের দরকার ছিল ১১ রান। প্রথম ৩ ওভারে মাত্র ১৪ রান দেওয়া মোস্তাফিজুর রহমানের কাঁধেই পড়েছিল প্রতিপক্ষকে রুখে দেওয়ার। প্রথম দুই বলে তাকে চার ও ছয় মারলেন জেসন রয়। তাতে হতাশা ঘিরে ধরেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মুখে। তবে বাকি তিন বল আর একটিও রান না দিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরান বাংলাদেশি পেসার। কিন্তু শেষ বলে দরকারি ১ রান ঠিকই তুলে নেয় দিল্লি।

জেসনের দুর্দান্ত ইনিংসের কারণে ১৯৫ রানের টার্গেট দিয়েও জিততে পারল না মুম্বাই। টানা তৃতীয় ম্যাচ হারল তারা। দিল্লি আইপিএলের ১১তম আসরে প্রথম জয় পেল ৭ উইকেটে। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৫ রান করে তারা।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমেছিল মুম্বাই। দুর্দান্ত সূচনা করেছিল তারা। সূর্যকুমার যাদব ও এভিন লুইসের ব্যাটে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৮৪ রানের দলীয় রেকর্ড গড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ২৮ বলে চারটি করে চার ও ছয়ে ৪৮ রানে লুইস আউট হলে ভাঙে ১০২ রানের উদ্বোধনী জুটি।

৮ বল পরই সূর্যকুমারও ফেরেন। এই ওপেনার ৩২ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৫৩ রানের সেরা ইনিংস খেলেন। দুই ওপেনার ফেরার পর কেবল ইশান কিষাণ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন মুম্বাইয়ের স্কোরবোর্ডে। ২৩ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৪৪ রান করে তিনি আউট হলে রানের গতি কমে যায়। ২১ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারায় তারা।

দিল্লির পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান, রাহুল তেবাতিয়া ও ট্রেন্ট বোল্ট।

৭ উইকেটে ১৯৪ রান করে মুম্বাই এবারের আসরে প্রথম জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল। দিল্লির অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরকে (১৫) রোহিত শর্মার ক্যাচ বানিয়ে সেই স্বপ্ন আরেকটু উজ্জ্বল করেন মোস্তাফিজ। তবে রিশভ পান্তকে নিয়ে জেসনের ৬৯ রানের জুটিতে মুম্বাইয়ের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেয় দিল্লি। ক্রুনাল পান্ডিয়া টানা দুই ওভারে রিশভকে (৪৭) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে (১৩) ফিরিয়ে কিছুটা স্বস্তি আনেন।

কিন্তু শ্রেয়াস আয়ারকে নিয়ে আবারও দাঁড়িয়ে যান জেসন। ২৭ বলে ৩ চার ও ৪ ছয়ে ৫০ করেন দিল্লির এই ওপেনার।

দুজনের ম্যাচ জয়ী ৬০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ১৭তম ওভারে ভাঙতে পারতেন মোস্তাফিজ। জশপ্রীত বুমরাহর ওই ওভারে দুইবার আয়ারের ক্যাচ ফেলেন তিনি। অবশ্য নিজের এই ভুল শোধরানোর সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি বাংলাদেশি পেসার। কিন্তু ৫৩ বলে ৬টি করে চার ও ছয়ে সাজানো জেসনের অপরাজিত ৯১ রানের অনবদ্য ইনিংসে ব্যর্থ মোস্তাফিজ, ব্যর্থ মুম্বাইও।

Leave a comment