৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: আশফাকুর রহমান

আমার সম্পর্কে : বার্তা বিভাগ প্রধান
প্রচ্ছদ বিভাগ খেলাধুলা

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে তৃতীয় বেলজিয়াম

ডেস্ক নিউজ:  ইংল্যান্ড ও বেলজিয়াম স্বপ্ন দেখেছিল বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার, এমনকি শিরোপা জেতারও। কিন্তু স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে সেমিফাইনালে হেরে। তবে সান্ত্বনার ম্যাচ জিতে কিছুটা হাসি নিয়ে দেশে ফিরছে বেলজিয়াম। ইংল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হলো তারা। সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া ইংল্যান্ড ও বেলজিয়াম মুখোমুখি হয়েছিল সেন্ট পিটার্সবার্গে। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এই ম্যাচটি ছিল গ্রুপ লড়াইয়ের পুনরাবৃত্তি। ফলও এসেছে ‘জি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচের মতোই। রাশিয়ায় দ্বিতীয়বারের দেখায় বেলজিয়াম আবারও হারিয়েছে ইংল্যান্ডকে। ক্রোয়েশিয়ার কাছে ইংল্যান্ড, আর ফ্রান্সের বিপক্ষে বেলজিয়াম হেরেছিল সেমিফাইনাল। এই হার আবার তাদের মুখোমুখি দাঁড় করায়। রাশিয়াতে গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে বেলজিয়ানরা ১-০ গোলে ইংলিশদের হারিয়ে হয় সেরা। কালিনিনগ্রাদের ওই ম্যাচে আদনান জানুজাই করেছিলেন একমাত্র গোল। নিয়মরক্ষার ম্যাচে এদিন ৪ মিনিটে থোমাস মুনিয়েরের গোলে এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। নাসের চ্যাডলির যোগান দেওয়া বলে লক্ষ্যভেদ করেন এ ডিফেন্ডার। এটি ছিল বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের দ্রুততম গোল।১২ মিনিটে বেলজিয়ামকে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে দেননি জর্ডান পিকফোর্ড। রোমেলু লুকাকুর পাস দেওয়া বলে শট নিয়েছিলেন কেভিন ডি ব্রুইন। তার শট প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ইংলিশ গোলরক্ষকের বাধায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এই বিশ্বকাপে ৬ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে থাকা হ্যারি কেইন ২৩ মিনিটে সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ৩৫ মিনিটে অ্যাল্ডারওয়েইরেল্ড কর্নার থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তার শট গোলবারের উপর দিয়ে গেলে বেলজিয়াম ব্যবধান দ্বিগুণ করতে ব্যর্থ হয়। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বেলজিয়াম। ৭০ মিনিটে ইংল্যান্ডের নিশ্চিত গোল হতে দেননি অ্যাল্ডারওয়েইরেল্ড। ডায়ারের তুলে দেওয়া বল বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করে জালে ঢোকার মুখে গোললাইনে দুর্দান্ত ব্লক করেন এই ডিফেন্ডার। খেলা শেষ হওয়ার ১০ মিনিট আগে পিকফোর্ড দুর্দান্ত সেভে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে রাখেন। ৮০ মিনিটে ইডেন হ্যাজার্ডের ক্রস থেকে মুনিয়েরের চমৎকার ভলি ঠেকান ইংলিশ গোলরক্ষক। অবশ্য ২ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে বেলজিয়াম। ডি ব্রুইনের পাস থেকে ৮২ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন হ্যাজার্ড। ১৯৯০ সালের মতো আবারও চতুর্থ হয়ে বিশ্বকাপ শেষ করতে হলো ইংল্যান্ডকে। আর ১৯৮৬ সালে চতুর্থ হওয়া বেলজিয়াম তৃতীয় হয়ে দেখা পেল তাদের সেরা সাফল্যের।

 

Leave a comment