1. abusufian7389@gmail.com : .com : sk .com
  2. ashfakur85@gmail.com : আশফাকুর রহমান : Ashfakur Rahman
  3. b.c.s.bipro@gmail.com : বিপ্র দাস বিশু বিত্রম : Bipro Das
  4. zihad0292@gmail.com : Zihad Ul Islam Mahdi : Zihad Ul Islam Mahdi
  5. ahmedmdmahfuz@gmail.com : মোঃ মাহফুজ আহমদ : মোঃ মাহফুজ আহমদ
  6. nazimahmed2042@gmail.com : Najim Ahmed : Najim Ahmed
  7. shahadotchadni@gmail.com : Md Sh : Md Sh
  8. ashfakur86@gmail.com : শুদ্ধবার্তা ডেস্ক : SB 24
  9. shuddhobarta24@gmail.com : shuddhobarta24@ : আবু সুফিয়ান
  10. surveyor.rasid@gmail.com : Abdur Rasid : Abdur Rasid
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে ৫ জনের পদত্যাগ        
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে ৫ জনের পদত্যাগ

  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্ল্যাটফর্ম থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাঁচ সমন্বয়ক ও সহ-সমন্বয়ক পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

পদত্যাগকারীরা হলেন- সমন্বয়ক সুমাইয়া শিকদার, সহ-সমন্বয়ক ধ্রুব বড়ুয়া, ঈশা দে, আল মাসনুন ও সাইদুজ্জামান রেদোয়ান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আল মাসনুন বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্ল্যাটফর্ম ইতিমধ্যে একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছে। জনমানুষকে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখিয়েছে। কিন্তু এই সফলতা স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলেও, এখন নানা ধরনের সমন্বয়হীনতা দৃশ্যমান হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে সমন্বয়করা জবাবদিহিতা করছে না এবং নানা ধরনের সাফাই দিচ্ছেন- যেগুলো অনেকাংশেই একপাক্ষিক। প্রথম থেকেই যেসব সমন্বয়হীনতা ও অপরাজনীতির আভাস পেয়েছি, আমরা সেগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

পদত্যাগকারী এই সমন্বয়ক বলেন, ‘ভিসি, প্রক্টর ও প্রভোস্টদের পদত্যাগের যৌক্তিকতা ও অযৌক্তিকতা বিষয়ে নানা ধরনের বিতর্ক উঠে আসছিল। আমরাও তাদের পদত্যাগ চেয়েছিলাম, কিন্তু সেটা ধাপে ধাপে। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের আগমন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সব লেজুড়ভিত্তিক ও দখলদারি দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা করেই যেন ভিসি পদত্যাগ করেন। কিন্তু কোনও মতামতকে যাচাই-বাছাই না করেই সমন্বয়করা ক্যাম্পাসের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে ফেলে। শিক্ষার্থীদের মতামত নিয়ে সমালোচনার সঠিক কোনও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি সমন্বয়ক কমিটিতেও।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলন চলাকালে চবির সমন্বয়ক সংখ্যা ছিল ২২ জন। কিন্তু পরে আগস্ট মাসের ৫ তারিখ চবি সমন্বয়ক সদস্য সংখ্যা হয় ৩০ জন। ৫ তারিখে নতুন যে কয়জন কমিটিতে যুক্ত হয়েছে তাদের বিষয় নিয়েও মূল সমন্বয়করা কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। এমন ঘটনা, জবাবহীনতা ও ট্যাগা-ট্যাগির ফ্যাসিস্ট বয়ান আমাদের মনে স্বাভাবিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। আমরা মনে করি, সমন্বয়করা আমাদের সঙ্গে সৎ নন। ক্যাম্পাস সংস্কারের কাজে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে তারা তৎপর নন, প্রভোস্টদের পদত্যাগ না করিয়ে হলে শিক্ষার্থীদের ওঠানোর বিষয়ে আরও ভালো সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারতেন।’

‘আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্বেগকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতামতকে সম্মান জানাই। তাই আমরা সবাই মিলে নিজ নিজ সমন্বয়ক পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা করছি। আগামীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে যেসব কর্মসূচি পালন হবে তার সঙ্গে আমাদের কোনও যোগাযোগ নেই। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে আমরা সবসময় ছিলাম এবং আগামীতেও থাকবো।’

এ প্রসঙ্গে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকারী কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ দেওয়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে আজকে যারা পদত্যাগ করছে তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান জানাই। তারা দীর্ঘদিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থেকে দেশের ছাত্র জনতার অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অবদান রাখছে। তাদের এই অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তারা যেহেতু স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন, সেহেতু আজকে থেকে তাদের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরাবরের মতো সাধারণ ছাত্র জনতার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। অনেক স্বার্থান্বেষী মহল আমাদের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। যেটা কখনও সফল হতে দেওয়া হবে না। একটা পক্ষ নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে ব্যর্থ হয়ে প্রেস ব্রিফিং করে আমাদেরকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। তাদের উদ্দেশ্য বলতে চাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার ব্যবহার করে কোনও দলে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না।’

‘শিক্ষকদের সাথে আমাদের দূরত্ব সৃষ্টি করা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না হওয়া সত্ত্বেও কোনও এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য জিনিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গ্রুপসহ সমন্বয়ক গ্রুপে রেখে দিয়েছিলেন! পদত্যাগের পূর্বে উক্ত বিষয়টি ক্লিয়ার করা উচিত ছিল।’

‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় এবং ক্যাম্পাসকে সকল প্রকারের ছাত্র রাজনীতি মুক্ত রাখতে আমরা সব শিক্ষার্থী ও সমন্বয়কবৃন্দ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কেউ যদি ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে এবং দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে সব শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা প্রতিরোধ করবো। যেহেতু আমাদের অন্যতম সমন্বয়ক ইব্রাহিম রনীকে নিয়ে একটা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যা সমন্বয়কদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দূরত্ব তৈরি করছে। উদ্ভূত এই সমস্যা পরবর্তী সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে হচ্ছে। তাই আপাতত উনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক টিমে কাজ করবেন না। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়কদের সঙ্গে ওনার কোনও সম্পৃক্ততা থাকবে না।’

‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী রাজনীতি মুক্ত এবং দখলদারিত্ব মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে আমরা সব শিক্ষার্থী বদ্ধপরিকর।’

নানা অনিয়ম বিতর্কের অভিযোগ ওঠায় গত ১১ আগস্ট চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলা ঘোষিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি কমিটি বাতিল করা হয়েছে। বিষয়টি শুক্রবার রাতে নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ।

বাদ পড়া তালিকায় রয়েছেন- ওমর ফারুক সাগর (চট্টগ্রাম কলেজ), রিজাউর রহমান(চবি), মাহমুদুল হাসান(সিআইইউ), ইফফাত ফাইরোজ ইফা, এ কে এম ইশতিয়াক সাগর, পুষ্পিতা, মুহাম্মদ শরীফ, শওকত, নাফিসা, শিহাব হোসেন চৌধুরী, সাইয়িদ (চবি), নাছির (কমার্স কলেজ), রাইহান (চবি), মোহাম্মদ এনামুল হক (চবি), আব্দুল হামিদ (চবি), প্রান্ত।

এ বিষয়ে রাসেল আহমেদ বলেন, ‘সমন্বয়ক পরিচয়ে অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, তাই আপাতত আমরা ১১ আগস্ট ঘোষিত প্রতিনিধি কমিটি স্থগিত করেছি। শুধু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্র ঘোষিত চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ক কমিটি ব্যতীত চট্টগ্রামে আর কোনও কমিটি নাই।’

এই বিভাগের আরো সংবাদ
shuddhobarta24
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.