১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: মোঃ মাহফুজ আহমদ

আমার সম্পর্কে : প্রতিনিধি
প্রচ্ছদ বিভাগ খেলাধুলা

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সাফে বাংলাদেশের শুভ সূচনা

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ জয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। জামাল ভুঁইয়ারা ১-০ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। পেনাল্টি থেকে একমাত্র গোলটি করেন তপু বর্মণ। ম্যাচের শুরু থেকেই দারুণ খেলতে থাকে জামাল ভুঁইয়ার দল। বিরতিতে যাওয়ার শেষ মুহূর্তে শ্রীলঙ্কান গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভে গোলের দেখা পায়নি লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। রক্ষণ ভাগ-মাঝ মাঠে কতৃত্ব দেখালেও আক্রমণভাগে এসে খেই হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ।

প্রথমার্ধ শেষে বল দখলের লড়াই ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল অস্কার ব্রুজোনের শিষ্যরা। প্রথমার্ধের ৬২ শতাংশ সময় বল ছিল জামালদের পায়ে। বাংলাদেশ লঙ্কানদের গোলবার লক্ষ্য করে শট নিয়েছে ৭টি। আর লঙ্কানরা নিয়েছে ৫টি। বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়িয়েছে বাংলাদেশের ফুটবলাররা। এসময় জুয়েল রানার জায়গায় একাদশে আসেন সাদ উদ্দিন। এছাড়া মতিন ও সুফিলও নেমেছেন। ৫০ মিনিটে শ্রীলঙ্কা সুযোগ পেয়ে লক্ষ্যভেদ করতে না পারলেও বাংলাদেশ পেয়ে যায় পেনাল্টি।

৫৪ মিনিটে বিপলু আহমেদের শট ডিফেন্ডার ডাকসন পুসলাস হাত দিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে স্পট কিকের বাঁশি বাজান রেফারি। পাশাপাশি দুই হলুদে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে পুসলাসকে। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে দিয়েছেন তপু বর্মণ।

১০ জনের দল নিয়ে লঙ্কানরা ৭৭ মিনিটে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু রাজিকের শট গোলকিপার আনিসুর তালুবন্দী করলে তারা ব্যর্থ হয়েছে। এর পর জামালের ফ্রিকিকে মতিনের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি জামালরা।

তাতে তপুর গোল পুঁজি করেই সাফে প্রথম ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ। আগামী ৪ অক্টোবর ফেভারিট ভারতের মুখোমুখি হবে জামাল-সুফিলরা।এর আগে সাফের আসরে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সবশেষ বাংলাদেশের দেখা হয়েছিল ২০০৯ সালে। সেবার এনামুল হকের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। দুই দলের সবশেষ দেখা ২০২০ সালে, বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে। মতিন মিয়া ও মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নৈপুণ্যে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ।

এবারও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা।

বাংলাদেশ একাদশ:

গোলরক্ষক: আনিসুর রহমান জিকো।

ডিফেন্ডার: ইয়াসিন আরাফাত, তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, তারিক রহমান কাজী।

মিডফিল্ডার: জামাল ভুঁইয়া (অধিনায়ক), রাকিব হোসাইন।

ফরোয়ার্ড: জুয়েল রানা, মোহাম্মদ ইবরাহীম, বিপলু আহমেদ, সুমন রেজা।

Leave a comment