১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: বিপ্র দাস বিশু বিত্রম

আমার সম্পর্কে : নির্বাহী সম্পাদক
প্রচ্ছদ বিভাগ বাংলাদেশ

অনুসন্ধান গোপনে করেন, সংবাদপত্রে দেন কেন: দুদককে মওদুদ

ডেস্ক নিউজ:  দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বর্তমান সরকারের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, বিরোধী দলকে যাতে আরও দুর্বল করা যায়, তাই দুদক এই সরকারের সঙ্গে এখন হাত মিলিয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে একাদশ নির্বাচনে দাবিতে আলোচনা সভায় মওদুদ আহমদ এ কথা বলেন। এর আয়োজন করে অপরাজেয় বাংলা নামের একটি সংগঠন।

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘বিএনপির শীর্ষ আটজন নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট গল্প বানিয়ে বলা হলো তাঁরা ১২৫ কোটি টাকা তুলেছেন। অথচ সেকেন্ড হোম তৈরি করার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা সুইজারল্যান্ড, কানাডায়, আমেরিকা ও মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাচ্ছে। গত এক বছরে ৩৭ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে। এরা কারা, সরকারি দলের মদদপুষ্ট মানুষেরা।’

মওদুদ দুদকের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা যদি অনুসন্ধান করতে চান, গোপনে করেন। সংবাদপত্রে দেন কেন?’

সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর এটা জানা উচিত যে মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দীনের সময় কীভাবে মামলার পর মামলা দিয়ে তাঁকে নাজেহাল করা হয়েছে। এগুলো কি সত্য ছিল? আমি মনে করি, এগুলো সত্য ছিল না। রাজনীতিবিদদের নিষ্পেষিত করার জন্য, নিশ্চিহ্ন করার জন্য এটা ছিল একটি ষড়যন্ত্র।

মওদুদ বলেন, বিএনপি নেতাদের নামে যেসব প্রচার করা হচ্ছে, এটা জনগণের কাছে রাজনীতিবিদদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য করা হচ্ছে। কারণ, এই মামলাগুলো কোনো দিন হবে না। এগুলো সত্য নয়। যতই অনুসন্ধান তারা করুক, এগুলো আইন-আদালতের দুয়ারে কোনো দিন যাবে না।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আইনি লড়াইয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজপথের গণ-আন্দোলন প্রয়োজন। সেই গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। যদি আইনি লড়াইয়ের ওপর নির্ভর করে থাকেন, তাহলে ভুল করবেন। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। এতে অনেক বাধা আছে। কারণ, নিম্ন আদালত সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।’

ভয়, ভীতি, আতঙ্ক, ব্ল্যাকমেল এই সরকারের প্রধান অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে নিয়েই আমরা নির্বাচন করব। খালেদা জিয়া ছাড়া কোনো অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। করতে দেওয়া হবে না।’

অপরাজেয় বাংলার সভাপতি ও বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সহসম্পাদক ফরিদা মনি শহিদুল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ, ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল প্রমুখ।

Leave a comment