৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: আশফাকুর রহমান

আমার সম্পর্কে : বার্তা বিভাগ প্রধান
প্রচ্ছদ বিভাগ বিনোদন

আজ সঞ্জীব উৎসব

গানে গানে প্রিয় এ মানুষকে স্মরণ করতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে তার অনুজ কিছু সংগীতশিল্পী। ‘সঞ্জীব উৎসব’-এর উদ্যোক্তা সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার জানান, সঞ্জীব উৎসব উদযাপন পর্ষদের আয়োজনে সঞ্জীব চত্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘৭ম সঞ্জীব উৎসব’।এতে অংশ নেবেন সঞ্জীব-অনুরাগী কিছু ব্যান্ড আর সংগীতশিল্পী। এবার উৎসবে গান করবেন জয় শাহরিয়ার, বে অফ বেঙ্গল, শহরতলী, প্রিয়, গানকবি, অর্জন, দুর্গ, সিনা হাসান অ্যান্ড বাংলা ফাইভ, সুহৃদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কালচারাল সোসাইটিসহ অনেকে। এবারের আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড সোসাইটি এবং আজব কারখানা। উৎসব শুরু হবে বিকেল চারটায়, চলবে রাত আটটা পর্যন্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র সঞ্জীব চৌধুরী ছিলেন সৃষ্টিশীল শিল্পী, লেখক ও সাংবাদিক। বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে তার যুগলবন্দি ব্যান্ড ‘দলছুট’ উপহার দিয়েছিল অসংখ্য শ্রোতানন্দিত গান। ফিচার সাংবাদিকতায় তার সৃষ্টিশীলতা নতুন দিগন্তের সূচনা করে। বিশেষ করে দৈনিক পত্রিকায় ফিচার বিভাগ নিয়মিত চালু হয় তার হাত ধরেই। জীবদ্দশায় তিনি দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক আজকের কাগজ ও দৈনিক যায়যায়দিনে কর্মরত ছিলেন।
আমি তোমাকেই বলে দেব, সাদা ময়লা, সমুদ্র সন্তান, জোছনাবিহার, তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও, আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ, স্বপ্নবাজি প্রভৃতি কালজয়ী গানের স্রষ্টা সঞ্জীব চৌধুরী। গাড়ি চলে না, বায়োস্কোপ, কোন মিস্তরি নাও বানাইছে- শিরোনামের লোকগানগুলো কণ্ঠে তুলেও দারুণ প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। ক্ষণজন্মা সংগীতশিল্পী সঞ্জীব চৌধুরীর জন্মদিন আজ (২৫ ডিসেম্বর)। গত কয়েকটি বছরে এ দিনটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বকুলতলা কিংবা টিএসসিতে আগেও হয়েছে ‘সঞ্জীব উৎসব’। এবারও হচ্ছে, টিএসসিতে। গানে গানে প্রিয় এ মানুষকে স্মরণ করতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে তার অনুজ কিছু সংগীতশিল্পী। ‘সঞ্জীব উৎসব’-এর উদ্যোক্তা সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার জানান, সঞ্জীব উৎসব উদযাপন পর্ষদের আয়োজনে সঞ্জীব চত্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘৭ম সঞ্জীব উৎসব’। এতে অংশ নেবেন সঞ্জীব-অনুরাগী কিছু ব্যান্ড আর সংগীতশিল্পী। এবার উৎসবে গান করবেন জয় শাহরিয়ার, বে অফ বেঙ্গল, শহরতলী, প্রিয়, গানকবি, অর্জন, দুর্গ, সিনা হাসান অ্যান্ড বাংলা ফাইভ, সুহৃদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কালচারাল সোসাইটিসহ অনেকে। এবারের আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড সোসাইটি এবং আজব কারখানা। উৎসব শুরু হবে বিকেল চারটায়, চলবে রাত আটটা পর্যন্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র সঞ্জীব চৌধুরী ছিলেন সৃষ্টিশীল শিল্পী, লেখক ও সাংবাদিক। বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে তার যুগলবন্দি ব্যান্ড ‘দলছুট’ উপহার দিয়েছিল অসংখ্য শ্রোতানন্দিত গান।  ফিচার সাংবাদিকতায় তার সৃষ্টিশীলতা নতুন দিগন্তের সূচনা করে। বিশেষ করে দৈনিক পত্রিকায় ফিচার বিভাগ নিয়মিত চালু হয় তার হাত ধরেই। জীবদ্দশায় তিনি দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক আজকের কাগজ ও দৈনিক যায়যায়দিনে কর্মরত ছিলেন। আমি তোমাকেই বলে দেব, সাদা ময়লা, সমুদ্র সন্তান, জোছনাবিহার, তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও, আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ, স্বপ্নবাজি প্রভৃতি কালজয়ী গানের স্রষ্টা সঞ্জীব চৌধুরী। গাড়ি চলে না, বায়োস্কোপ, কোন মিস্তরি নাও বানাইছে- শিরোনামের লোকগানগুলো কণ্ঠে তুলেও দারুণ প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। ১৯৬৪ সালের এই দিনে (২৫ ডিসেম্বর) হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর বাইলেটারেল সেরিব্রাল স্কিমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সঞ্জীবের অকাল প্রয়াণ ছিল বাংলাদেশের সংগীত ও সাংবাদিকতা জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। এই ক্ষণজন্মা কিংবদন্তি না ফেরার দেশে ফেরার সময় স্ত্রী ও একমাত্র সন্তান কিংবদন্তিকে রেখে যান।

Leave a comment