৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: shuddhobarta24@

আমার সম্পর্কে : This author may not interusted to share anything with others
প্রচ্ছদ বিভাগ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের পথ খুললো

মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বিচারের অধিকার রয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের। বৃহস্পতিবার হেগের আদালতে তিন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেল এ সংক্রান্ত একটি রুল জারি করেন। এতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ারও অভিযোগ করা হয়। এ রুল জারির পর আইসিসিতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করতে বাধা নেই।

 

”মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নিপীড়নকে জাতিসংঘ জাতিগত নিধন হিসেবে আখ্যা দিলেও এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের হস্তক্ষেপ করার এখতিয়ার আছে কি না তা নিয়েই চলছিল বিতর্ক। সবশেষ গত মাসের শেষ দিকে গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য মিয়ানয়ারকে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানায় জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশন। গণহত্যা ও মিয়ানমারকে বিচারের মুখোমুখি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দাবি জানিয়ে আসলেও মিয়ানমার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য রাষ্ট্র নয় উল্লেখ করে বিশ্ববাসীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আসছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি।”

তবে, সব বিতর্ক ঠেলে মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে বিচারের অধিকার আছে উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার রুল জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। হেগের আদালতে তিন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের এক লিখিত সিদ্ধান্তে বলা হয় এ রুল জারি করা হয়। মিয়ানমার আইসিসির সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বিচারের কারণ হিসেবে আদালত বলেন, বাংলাদেশ এর সদস্য রাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ সীমান্তে এ অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় মিয়ানমারের বিচার করা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইনী উপদেষ্টা গিলবার্ট বিটি বলেন, ‘রাখাইন থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা বিতারণের মতো অপরাধের জন্য মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বিচারকাজ পরিচালনা সম্ভব বলে আদলত সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। মিয়ানমারকে বিচারের মুখোমুখি করতে রোহিঙ্গা বিতারণের অভিযোগই যথেষ্ঠ।”

এর আগে, মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আদালতের অবস্থান পরিষ্কার করতে বিচারকদের প্রতি আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অনুরোধ জানান আইসিসির কৌসুলী ফাতোও বেনসোওদা। এছাড়া, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে তদন্ত শুরু করতে চলতি বছর মে মাসের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাছে ৪০০ রোহিঙ্গা নারীর সই করা একটি আবেদনপত্র জমা দেন আইনজীবীরা।”

Leave a comment