২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: মোঃ মাহফুজ আহমদ

আমার সম্পর্কে : প্রতিনিধি
প্রচ্ছদ বিভাগ সিলেট

‘বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন’: অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ তাপাদার

“বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ” উপর সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গতকাল সীমান্তিক আইডিয়াল স্কুলের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল ৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় পাচঁশত ছাত্র -ছাত্রীদেরকে সম্মাননা প্রদান করা হয় স্কুলের পক্ষ থেকে।


প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনির ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি “বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ” উপর “সাধারণ জ্ঞান” প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।এই প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ছিল আজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সীমান্তিক শিক্ষার পরিচালক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ স্বনামধন্য অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রউফ তাপাদার। সভাপতিত্ব করেন সীমান্তিক আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক  মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মিথিলা রায় এবং তাপস্বী আচার্য্য।স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। সম্মামনা প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন সীমান্তিক কলেজের উপাধ্যক্ষ মাছুমা আক্তার, টিটিসির কো-অর্ডিনেটর মো. হারুন রশিদ, সিনিয়র শিক্ষক শংকরী মালাকার, মো. শফিউল আলম প্রমুখ।


প্রধান অতিথি মহোদয় তাঁর বক্তব্যে সীমান্তিকের এরকম উদ্যোগ গ্রহণের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন। সীমান্তিকের শিক্ষা কার্যক্রম- সীমান্তিক আইডিয়াল স্কুল, সীমান্তিক কলেজ, টিটিসি, নার্সিং, প্যারামিডিকস, মিডওয়াইফারী, সীমান্তিক হাসপাতাল, ল্যাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।


তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন সীমান্তিক কেবল প্রথাগত শিক্ষা নয়, মানসম্মত শিক্ষা, খেলাধুলা, সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম- ডিবেট, উপস্থিত বক্তব্য, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন করে থাকে। এছাড়া সামাজিকতার দায়িত্ব থেকে সীমান্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা নিয়ে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার আয়োজন ও পুরস্কার বিতরণ তারই ধারাবাহিকতার ফসল। তিনি এ প্রতিযোগিতার সফল আয়োজনের জন্য সীমান্তিক আইডিয়াল স্কুল তথা সীমান্তিক শিক্ষা পরিবারকে অভিনন্দন জানান।


তিনি আর বলেন সীমান্তিক শিক্ষাদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নিয়েও কাজ করে। প্রতিমাসে আমরা শিক্ষার্থীদেরকে নিজস্ব ডাক্তার দ্বারা ফ্রি মেডিকেল চেক আপের ব্যবস্থা করে থাকি। আমাদের রয়েছে মেধাবী, দরিদ্র ও অসচ্ছল ও পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের শিশুদের জন্য বিশেষ ছাড়। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানিত অভিভাবকদেরকে এসব সুযোগ গ্রহনের আহবান জানান।

শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা সীমান্তিকের এসব সমাজসেবামূলক কার্যক্রম দেখে খুবই আনন্দিত। পুরস্কার বিতরণ শেষে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরকে আপ্যায়ন করা হয়। সর্বশেষে স্কুলের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমাদের শিক্ষক মিথিলা রায়, তাপস্বি আচার্য্য, হেলেনা আক্তার, স্বর্ণা পুরকায়স্ত গান পরিবেশন করেন। দিনটি খুবই ভাল ছিল আমাদের শিক্ষা পরিবারের জন্য। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা ভুলবার নয়।

Leave a comment