১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: mahfuz ahmed

আমার সম্পর্কে : প্রতিনিধি
প্রচ্ছদ বিভাগ অর্থনীতি

পাইকারি দাম কমল কেজিতে ২৫ টাকা

ঢাকার মেঘনা গ্রুপের ৮০০ টন ও চট্টগ্রামভিত্তিক বিএসএম গ্রুপের ৭০০ টন পেঁয়াজ ঢুকেছে খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারের আড়তে। গতকাল শুক্রবার সকালে এ দুই শিল্পগ্রুপের দেড় হাজার টন পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে খালাস হয়। আরও দুটি জাহাজে ৫৪ টনের বেশি পেঁয়াজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতোমধ্যে খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে আড়তগুলোয় পেঁয়াজবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে। ফলে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমছে ২৫ টাকা।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানা যায়, শিল্প গ্রুপগুলোর মধ্যে সিটি গ্রুপের পেঁয়াজ আসবে রবিবার। এস আলম গ্রুপের পেঁয়াজ আসবে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। অর্থাৎ ধারণা করা হচ্ছে ডিসেম্বর থেকে নিয়মিতই পেঁয়াজ আসবে চট্টগ্রাম দিয়ে। এর মধ্যে ছোট-বড় আমদানিকারকরা বন্দর দিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে। সেগুলো খালাসও হচ্ছে নিয়মিত।

গতকাল শুরুবার বিকালে খাতুনগঞ্জের পাইাকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুদিন আগে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৮০ টাকা। সেটা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৬৫ টাকা। কমেছে কেজিতে প্রায় ২০ টাকা। তুরস্ক থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৫০ টাকা, এখন সেটা ২৫ টাকা কমে ১২৫-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চীন থেকে আমদানি হওয়া পেঁয়াজ ১২৫ টাকা থেকে কমে এখন ৯৫-১০০ টাকা। মিসর থেকে আসা ১৫০ টাকার পেঁয়াজ এখন ১২৫-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে প্রভাব পড়লেও চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে এখন পর্যন্ত তেমন একটা প্রভাব পড়েনি। খুচরা বাজারে এখনো পেঁয়াজের কেজি ২০০ টাকার ওপরে।

চকবাজারে খুচরা ব্যবসায়ী রতন কুমার সরকার বলেন, বন্দর দিয়ে যে পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জে আড়তে ঢুকছে, সেগুলো এখনো খুচরা বাজারে আসেনি। কারণ আমাদের আগের দামে কেনা পেঁয়াজ অবিক্রীত রয়ে গেছে। তাই দাম একটু বাড়তি। আর মানুষ পেঁয়াজ কিনছে সর্বোচ্চ হাফ কেজি। এর চেয়ে বেশি কিনছেন না।

বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছাড় নিয়ে ২০০ টন পেঁয়াজ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছেছে। আজকে (গতকাল শুক্রবার) খালাস হয় ৫০০ টন। আসার পথে রয়েছে আরও পেঁয়াজ। কিন্তু সরবরাহ দিতে গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, দেশে পেঁয়াজের চাহিদার চেয়ে সরবরাহে অনেক ফারাক। ছোট-বড় আমদানিকারকরা মিলে যদি ধারাবাহিকভাবে সরবরাহ বাড়ায় তা হলে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে।

খাতুনগঞ্জের আড়তদার মেসার্স গাউসিয়া স্টোরের মালিক ও চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম আমাদের সময়কে বলেন, বন্দর থেকে খালাস হওয়া পেঁয়াজ এখন খাতুনগঞ্জের আড়তে প্রবেশ করছে। আশা করছি, আগামীকাল (আজ শনিবার) থেকে পেঁয়াজের দাম আরও কমে আসবে। আজকে (গতকাল শুক্রবার) পেঁয়াজের কেজিতে কমছে ২৫ টাকা। সরবরাহ চলমান থাকলে দাম অটোমেটিক কমে আসবে। সূত্র: আমাদেরসময়

Leave a comment