1. abusufian7389@gmail.com : .com : sk .com
  2. ashfakur85@gmail.com : আশফাকুর রহমান : Ashfakur Rahman
  3. b.c.s.bipro@gmail.com : বিপ্র দাস বিশু বিত্রম : Bipro Das
  4. zihad0292@gmail.com : Zihad Ul Islam Mahdi : Zihad Ul Islam Mahdi
  5. ahmedmdmahfuz@gmail.com : মোঃ মাহফুজ আহমদ : মোঃ মাহফুজ আহমদ
  6. nazimahmed2042@gmail.com : Najim Ahmed : Najim Ahmed
  7. shahadotchadni@gmail.com : Md Sh : Md Sh
  8. ashfakur86@gmail.com : শুদ্ধবার্তা ডেস্ক : SB 24
  9. shuddhobarta24@gmail.com : shuddhobarta24@ : আবু সুফিয়ান
  10. surveyor.rasid@gmail.com : Abdur Rasid : Abdur Rasid
মুসলিম ব্রাদারহুডকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের        
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন

মুসলিম ব্রাদারহুডকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: মিসর, লেবানন ও জর্ডানে মুসলিম ব্রাদারহুডের বিভিন্ন শাখাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের বিরোধী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে এসব সংগঠনকে কালো তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। খবর আল জাজিরার।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জর্ডান ও মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডকে ‘বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে পররাষ্ট্র দপ্তর লেবাননের সংগঠনটিকে আরও কঠোর ‘ফরেন টেররিস্ট অর্গানাইজেশন (এফটিও)’ তালিকায় যুক্ত করেছে।

ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসকে সমর্থন এবং ‘মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার কারণেই মুসলিম ব্রাদারহুডকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ট্রেজারি বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মুসলিম ব্রাদারহুডের বিভিন্ন শাখা নিজেদের বৈধ নাগরিক সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করলেও আড়ালে তারা হামাসের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে স্পষ্টভাবে ও উৎসাহের সঙ্গে সমর্থন করে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিক্রিয়া:

মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সালাহ আবদেল হক এই সিদ্ধান্ত ‘সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান’ করে বলেন, এটি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং তারা আইনি সব পথেই এর বিরোধিতা করবেন।

সালাহ আবদেল আল জাজিরাকে বলেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাপ রয়েছে।

তিনি বলেন, মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুড সন্ত্রাসবাদে জড়িত, অর্থায়ন করেছে বা কোনো ধরনের সহায়তা দিয়েছে—এমন সব অভিযোগ আমরা অস্বীকার করছি। এটি বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং আমিরাত ও ইসরায়েলের চাপের ফল।

কী ধরনের শাস্তি আসবে:

যুক্তরাষ্ট্রের এই তালিকাভুক্তির ফলে এসব সংগঠনকে যেকোনো ধরনের আর্থিক বা বস্তুগত সহায়তা দেওয়া বেআইনি হবে। পাশাপাশি তাদের অর্থনৈতিক লেনদেন বন্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। লেবাননের সংগঠনটির ক্ষেত্রে এফটিও তকমা থাকায় তাদের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশও নিষিদ্ধ হবে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের পটভূমি:

১৯২৮ সালে মিসরের ইসলামী চিন্তাবিদ হাসান আল-বান্না মুসলিম ব্রাদারহুড প্রতিষ্ঠা করেন। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তাদের রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন রয়েছে। তারা নিজেদের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অংশগ্রহণে বিশ্বাসী বলেই দাবি করে।

লেবাননে মুসলিম ব্রাদারহুডের শাখা আল-জামা আল-ইসলামিয়া দেশটির পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করে।

জর্ডানে সংগঠনটির রাজনৈতিক শাখা ইসলামিক অ্যাকশন ফ্রন্ট ২০২৪ সালের নির্বাচনে ৩১টি আসন পায়। তবে গত বছর আম্মান সরকার একটি নাশকতা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে সংগঠনটি নিষিদ্ধ করে

মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুড ২০১২ সালে দেশের একমাত্র গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসে। কিন্তু এক বছরের মাথায় সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং তিনি ২০১৯ সালে কারাগারে মারা যান। এরপর থেকেই কায়রো সরকার সংগঠনটির ওপর কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে।

মঙ্গলবার মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে একে ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছে।

গাজা যুদ্ধ ও প্রতিক্রিয়া:

মুসলিম ব্রাদারহুড সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো নিজ নিজ দেশে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করে আসছে। লেবাননের আল-জামা আল-ইসলামিয়া গাজায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সংহতি জানিয়ে হিজবুল্লাহর সঙ্গে ‘সমর্থন ফ্রন্টে’ অংশ নেয়, যা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়।

সংগঠনটি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষারই অংশ এবং লেবাননের আইনের আওতায় এর কোনো বৈধতা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রভাব:

যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোতে ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম অভিবাসী কমিউনিটি ও ইসরায়েলবিরোধীদের মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছে। ট্রাম্পের ঘোষণার পর টেক্সাস ও ফ্লোরিডার রিপাবলিকান গভর্নররা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মুসলিম নাগরিক অধিকার সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (কেয়ার)-কেও মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তবে কেয়ার এই অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ
shuddhobarta24
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.