১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: বিপ্র দাস বিশু বিত্রম

আমার সম্পর্কে : নির্বাহী সম্পাদক
প্রচ্ছদ বিভাগ বাংলাদেশ

ইত্যাদি এবার নীলফামারীতে অনুষ্ঠিত হবে

নীলফামারী প্রতিনিধি: ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা, সংস্কৃতি, পর্যটন ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে গিয়ে ইত্যাদি ধারণের ধারাবাহিকতায় এবারের পর্ব ধারণ করা হচ্ছে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের অভ্যান্তরে।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা হতে ইত্যাদীর অনুষ্ঠান ধারন শুরু করা হবে। চলবে মধ্যরাত পর্যন্ত। এবারের ইত্যাদীটি বিশেষ করে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের শ্রমিকদের নিয়েই তৈরী করা হবে। শ্রমিকরাই পরিবেশন করবে গান ,নাচ ও তাদের কাজের পরিধি তুলে ধরবে।

এ অঞ্চলের মঙ্গা অভাব দুরীকরনের পদক্ষেপে ২১৩.৬৬ একর জমির উপর ১৯৯৯ সালে এই ইপিজেড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে প্রতিষ্ঠিত করে ২০০১ সালের ২৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেছিলেন। বর্তমানে এই ইপিজেডে প্রায় ৩২ হাজার নারী পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

উত্তরা ইপিজেড এ এভারগ্রীন প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরী (বিডি) লিঃ (হংকং)- উইগ ও হেয়ার সামগ্রী,ওয়েসিস ট্রান্সফরমেশন লিঃ (ব্রিটেন)- কফিন, বাশ-বেত সামগ্রী, ম্যাজেন (বিডি) ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ (চীন)- সানগ্লাস, অপটিক্যাল ফ্রেম, ভেনচুরা লেদার ম্যানুফ্যাকচারিং (বিডি) লিঃ (চীন)- লেদার ব্যাগ, মানিব্যাগ, ওয়ালেট, সেকশন সেভেন ইন্টারন্যাশনাল লিঃ(বাংলাদেশ)- প্যান্ট-শার্ট, কোয়েস্ট এ্যাক্সেসরিজ লিঃ (বাংলাদেশ)- হ্যাংগার, পলিথিন, সুতার কোন, গার্মেন্টস এ্যাক্সেসরিজ, কেপি ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদশ)- সুয়েটার, এসএ ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদেশ)-সুয়েটার, ফারদিন এ্যাক্সেসরিজ (বাংলাদেশ)-হ্যাংগার, পলিথিন, সুতার কোন, গার্মেন্টস এ্যাক্সেসরিজ, সনিক বাংলাদেশ লিঃ (চীন)- খেলনা, ডং জিন ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ

(হংকং)-উইগ, উত্তরা সুয়েটার ম্যানুফ্যাকচারিং কোঃ লিঃ (চীন-হংকং)- সুয়েটার, কার্টিগান উৎপাদন করে। এখানকার উৎপাদিত পন্য বিদেশে রপ্তানী করা হচ্ছে।ইত্যাদীর মুল মঞ্চাট তৈরী করা হয়েছে উত্তরা ইপিজেডের অভ্যান্তরে। মঞ্চের সামনে ছয় হাজার দর্শকের আসন।

উত্তরা ইপিজেডের শ্রমিকদের নিয়ে পাশাপাশি ইত্যাদিতে তুলে ধরা হবে ব্রিটিশদের নীলচাষের ইতিহাস ,নীলফার্মার, নীলখামারী,নীলফামিং থেকে আজকের নীলফামারী জেলার উল্লেখযোগ্য স্থাপনা ও বৈশিষ্ট্য।

দুই শতাধিক বছর পূর্বে এ অঞ্চলে নীল চাষের খামার স্থাপন করে ইংরেজ নীলকরেরা। এ অঞ্চলের উর্বর ভূমি নীল চাষের অনুকূল হওয়ায় দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় নীলফামারীতে বেশি সংখ্যায় নীলকুঠি ও নীল খামার গড়ে ওঠে। ঊণবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই দুরাকুটি, ডিমলা, কিশোরীগঞ্জ, টেঙ্গনমারী প্রভৃতি স্থানে নীলকুঠি স্থাপিত হয়। সে সময় বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের মধ্যে নীলফামারীতেই বেশি পরিমাণে শস্য উৎপাদিত হতো এখানকার উর্বর মাটির গুণে। সে কারণেই নীলকরদের ব্যাপক আগমন ঘটে এতদঅঞ্চলে। গড়ে ওঠে অসংখ্য নীল খামার।

ইত্যাদি রচনা,পরিচালনা ও উপস্থাপনা করবেন হানিফ সংকেত। এই পর্বটি ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হবে।

 

 

Leave a comment