৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: বিপ্র দাস বিশু বিত্রম

আমার সম্পর্কে : নির্বাহী সম্পাদক
প্রচ্ছদ বিভাগ সিলেট

গোয়াইনঘাটে মৎস্যজীবি স্বপন অপহরণ পরও উদ্ধার হয়নি ভুক্তভোগী পরিবারের আহাজারি

 

সিলেটের গোয়াইনঘাটে অপহরণের ৯দিনেও এক মৎস্যজীবিকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় ২০জনকে এজাহারভুক্ত করে মামলা হয়েছে। অজ্ঞাতকারণে পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করতে পারছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৯ অক্টোবর সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার দিগলকুড়ি বিল থেকে অপহরণের এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাঁও ইউনিয়নের দিগলকুড়ি নামক একটি বিল স্থানীয় লক্ষ্মীর হাওর (জলুরমুখ) গ্রামের মৎস্যজীবিরা ভোগদখল ও রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছিলেন। গত ২৯ অক্টোবর রাতে একই ইউনিয়নের শিয়ালা হওর গ্রামের মৃত মছদ্দর আলীর পুত্র রইছ মিয়ার নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোক ওই বিলের বাঁধ কেটে মাছ লুট করতে যায়। এ সময় লক্ষ্মীর হাওর জলুরমুখের মৎস্যজীবি রতন নমঃ, নকুল বিশ্বাস, কাজল নমঃ, কৃষ্ণ নমঃ, তিলন নমঃ ও স্বপন নমঃ সহ কয়েকজন বাঁধ কাটতে আপত্তি করলে রইছ মিয়াসহ তার দলভুক্তরা তাদের উপর হামলা চালায় এবং তাদের ৬জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় । তাদেরকে একটি বাড়িতে আটকে রেখে তারা মারপিট করতে থাকে। এসময় স্থানীয় লোকজন ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আটক ৫ জন উদ্ধার হলেও স্বপন নমঃ নামের এক মৎস্যজীবি আজোবধি উদ্ধার হননি। হামলাকারীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে গোপন করে ফেলেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অপহৃত স্বপন নমঃ-–এর ভাই মৎস্যজীবি রতন নমঃ বাদী হয়ে ১ নভেম্বর গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা করেন। যা’ থানার মামলা নং-০২(১১)২২। মামলার আসামীরা হচ্ছেন, সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার শিয়ালা হওর গ্রামের রইছ মিয়া,আহমদ আলী, শুক্কুর আলী, মোস্তফা মিয়া, হানিফ মিয়া, নবাব মিয়া, ফখর মিয়া, নজরুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, জাকির হোসেন, আলফত আলী, মতি মিয়া, ইউনুছ আলী, জাহাঙ্গীর মিয়া, ময়না মিয়া, দিলদার হোসেন, আলীম মিয়া, সাদেক মিয়া, বারিক মিয়া, আব্দুল্লাহ মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরোও ১৫/২০ জন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোয়াইনঘাট খানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোঃ শফিকুল ইসলাম খান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন- মামলার পর থেকে আসামীরা আত্মগোপনে রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে তথ্য প্রযুক্তি-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে পুলিশের তল্লাশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Leave a comment