১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: Ashikur Rhaman

আমার সম্পর্কে : প্রতিনিধি
প্রচ্ছদ বিভাগ বাংলাদেশ

ফের বড় পরিসরে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ডাক

অনলাইন ডেস্কঃ বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিক্ষোভ শেষ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান শিক্ষার্থীদের চার জনের একটি প্রতিনিধি দল। তাদের দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে আসেন। এর আগে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যয়রনত শিক্ষার্থীরা। তাদের কোনো সিদ্ধান্ত না আশায় এরপর রাতে তাদের ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে আবারো আগারগাঁওয়ে ও কারিগরি বোর্ড ঘেরাও এবং বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেন। এই দিকে আন্দোলন সফল করার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষার্থীরা ঢাকায় জড়ো হচ্ছে। প্রায় অনেকদিন হলেই চলছে কারিগরি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। এখন পযন্ত মিলেনি সঠিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীরা ৪ দফা দাবি নিয়ে নেমেছে রাজপথে,উদ্দেশ্য সফল করেই ত্যাগ বাংলার রাজপথ। এই দিকে করোনা মহামারীতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারী পযন্ত। আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের অটো প্রমশন দেওয়া হলেও কারিগরি বোর্ডের সিদ্ধান্তে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্লাস বিহীন চূড়ান্ত পরীক্ষা তাদের গত বছরের ১সপ্তাহ ক্লাস পরিচালিত হয়েছে কি’না এর কোনো নিশ্চিতা নেই,ব্যবহারিক ক্লাসও একটাও করানো হয়নি, তবুও পূর্ণ সিলেবাসে অল্প নম্বরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড । বোর্ডের সিদ্ধান্ত কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছে না পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর শিক্ষার্থীরা। মূলত কারিগরি শিক্ষার্থীদের হাতেকলমে শিক্ষা তাদের কিছু না শিখিয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড। শিক্ষার্থীরা বোর্ড বরাবর তাদের ৪ দফা দাবি পেশ করে, কিন্ত তাদের দাবি না মেনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করে।একারণে রাজপথে নামতে বাধ্য হয় সারা দেশের পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর শিক্ষার্থীরা। তাড়া বলেন ক্লাস না করে কোনো ভাবেই পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব না তাদের পক্ষে। পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর শিক্ষার্থীদের ৪ দফা দাবি গুলো হচ্ছে মূলত,

১. কোনো ভাবেই ১বছর লস মানি না,

২. স্থাপিত হওয়া ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ পর্বের তত্ত্বীয় পরীক্ষাগুলো অটোপাশ দিয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষাগুলো পরবর্তী পর্বের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হোক এবং ১ম, ৩য়, ৫ম, ৭ম পর্বের ক্লাসগুলো চালু করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

৩. অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহার এবং বেসরকারি (প্রাইভেট) পলিটেকনিকের সেমিষ্টার ফি ৫০ ভাগ মওকুফ করতে হবে।

৪. সকল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের জন্য আসন বরাদ্দ করতে হবে।

অপেক্ষার প্রহর গুনছে ১৪ লাখ শিক্ষার্থী আশার আলো জ্বালিয়ে রাজপথ ছাড়বে তাড়া। ৭ তারিখে আন্দোলনে যোগ দিতে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট শিক্ষর্থীদের প্রতি আহবান জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

Leave a comment