২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: Md Mahfuz ahmed

আমার সম্পর্কে : প্রতিনিধি
প্রচ্ছদ বিভাগ সিলেট

সিলেটে তিন দিনের পরিবহন ধর্মঘট চলছে

সিলেটে পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার দাবিতে পাথর ব্যবসায়ী ও পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা বিভাগজুড়ে ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘট চলছে। আজ মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) এর প্রথম দিন। সেইসঙ্গে সিএনজি অটোরিকশারও ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট চলছে। আজ এর শেষ দিন।

মঙ্গলবার সকাল থেকে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড দিয়ে ধর্মঘট পালন করছেন এই দুই সংগঠনের পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।

এদিকে, ধর্মঘটের কারণে সিলেট প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘটের প্রথম দিনেই সারাদেশ থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়ে সিলেট । তাছাড়া সিলেটে চলাচলকারী সকল গণপরিহবন বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন কর্মস্থলগামী বা ঘরে ফেরা মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কর্মস্থলগামীসহ জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ পরিবহন না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর যানবাহন না পেয়ে পায়ে হেঁটেই চলতে গন্তব্যস্থলে রওনা দেন। কেউ কেউ ভ্যান রিকশা করে কর্মস্থলে ছুটছেন। এদিকে ধর্মঘটের সুযোগ নিয়ে রিকশা-ভ্যানচালক, পাঠাও-উবারের রাইডার এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে মোটরসােকেলচালকরা বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন।

বেলা ২টার সময় দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুলে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করা আসাদ রহমান (৩৫) বলেন, আমার জরুরি কিছু কাজ আছে নগরীর জিন্দাবাজারে। দু ঘণ্টা আগে বের হয়েও কিছুই পাচ্ছি না। হেঁটে গেলেও পৌঁছে যেতে পারতাম এত সময়ে। ক্ষোভ প্রকাশ করে আসাদ বলেন, এ কেমন ধর্মঘট? এ দেশে কিছু হলে বিপদের পড়তে হয় আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে।

সিলেটের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মনিরুল ইসলাম বলেন, সারা সিলেটেই দেখতে পাচ্ছি শুধু মোটরসাইকেলেই একটু দূরের যাত্রী বহন করছে। কিন্তু টাকা নিচ্ছে অনেক বেশি। উপায় নেই তাই তাদের দাবিকৃত টাকাতেই শিবগঞ্জ থেকে বন্দরবাজার এসেছি।

অন্যদিকে সকাল থেকে সিলেট ছাড়েনি দুরপাল্লার কোনো গাড়ি। ফলে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, ঠাঁই হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দূরপাল্লার কোচগুলো। টা‌র্মিনা‌লে আসা অনেক মানুষকে বাধ্য হয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে।

Leave a comment