৭ই জুলাই, ২০২০ ইং , ২৩শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: Shuddho Barta

আমার সম্পর্কে : This author may not interusted to share anything with others
প্রচ্ছদ বিভাগ এক্সক্লুসিভ

দিনাজপুর জেলায় সংখ্যালঘু নারীকে ধর্ষন

দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানার অন্তর্গত তারাপুর গ্রামের হিন্দু পরেশ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী শ্রীমতি প্রতিমা রানী (৩০) কে গত ১২ জুন বিকাল ছয়টার সময় তার স্বামীর অবর্তমানে তার গোয়াল ঘরে ঢুকে মোঃ দুলাল মিয়া নামক এক লম্পট জোরপূর্বক ধর্ষন করে ।

গোয়াল ঘরে ঢুকে পিছন দিক থেকে শ্রীমতি প্রতিমা রানীর দুই স্তন টিপে ধরে এবং ধর্ষণ করা জন্য মাটিতে সোয়াইয়া ফেলে । প্রতিমা রানীর চিৎকারে এবং সে সর্বশক্তি দিয়ে তার ইজ্জত রক্ষার চেষ্টা করে পাশের লোকজন এসে তাকে রক্ষা করে এবং আসামি পালিয়ে যায়

বাংলাদেশে মাইনোরিটি ওয়াচ এর পক্ষ থেকে আমাদের দিনাজপুর প্রতিনিধি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রতিমাকে থানায় নিয়ে এসে মামলা রুজু করার সকল সাহায্য-সহযোগিতা করে । কাহারোল থানার অফিসার ইনচার্জ মামলা দায়ের করার পর মোঃ দুলাল মিয়ার বিরুদ্ধে ১৬ জুনে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(৪) খ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে । মামলা নাম্বার ৫ (পাঁচ )

অ্যাডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষ বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্যাতিতা প্রতিমা রানিকে জিজ্ঞাসাবাদ করি । নির্যাতিতা প্রতিমা রানি বলেন ” ঘটনার দিন আমাদের গরু রাখার জন্য আমার গোয়াল ঘরে ঢধুকি, পিছন দিক থেকে আমার অগোচরে অসৎ উদ্ধেশ মৃত জমশের আলির ছেলে মোঃ দুলাল মিয়া (৪০) আমাকে ধরে আমার দুই স্তনের উপর জোরে চাপ দিয়ে আমাকে বলে যে ” তোমার স্বামী তোমাকে সন্তান জন্ম দিতে পারে নাই আমি এই ব্যাপারে সক্ষম “, এই বলে সে আমাকে মাটিতে ফেলে দিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমার বাঁয়ে মুখে ও গালে এবং আমার স্তনের বিভিন্ন স্থানে কামড় দিতে থাকে ,আমি আহত হই আমি ডাক্তারের শরণাপন্ন হই । আমার চিৎকারে লোকজন আমার সাহায্যে এগিয়ে আসে ইতিমধ্যে আসামি পলায়ন করে , ,সে আমার শরীরের বিভিন্ন স্তানে কামড় দেওয়ার কারণে আমাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। আমি থানায় মামলা দায়ের করি । পুলিশ এখনো মোঃ দুলাল মিয়াকে গ্রেফতার করতে পারে নাই ।আমি তার বিচার চাই । আমরা অতীব গরিব বিধায় এখনো বিচার পাচ্ছি না । আপনারা আমাকে সাহায্য করুন ।

বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ এহেন ধর্ষণের ঘতনাকে তীব্র নিন্দা করছে এবং অনতিবিলম্বে পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতাই এনে কঠোর শাস্তির দাবী জানাচ্ছে এবং ধর্ষিত মহিলাকে সুচিকিৎসার বাবস্তা করতে প্রশাসনকে দায়িত্ববান হওয়ার সুপারিশ করছে ।

প্রাথমিকভাবে জাতিসংঘের মধ্যে নারীর প্রতি সহিংসতা সম্পর্কিত নীতি বিকাশের বিষয়টি পরিবারের মহিলাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার দিকে মনোনিবেশ করা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে মেক্সিকোয় মহিলাদের নিয়ে প্রথম বিশ্ব সম্মেলনে গৃহীত ওয়ার্ল্ড প্ল্যান অফ অ্যাকশনটি স্পষ্টভাবে সহিংসতার কথা উল্লেখ করেন তবে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মর্যাদা, সাম্যতা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য পরিবারের প্রয়োজনীয়তার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

Leave a comment