২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৭ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বার্তাটি লিখেছেন: Shuddho Barta

আমার সম্পর্কে : This author may not interusted to share anything with others
প্রচ্ছদ বিভাগ বাংলাদেশ

ভারুয়াখালী -পিএমখালী সংযোগ সেতু স্থাপনের দাবিতে হাজারো মানুষের মতবিনিময়

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁহ (কক্সবাজার ): কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী-পিএমখালী সংযোগ সেতু স্থাপনের দাবিতে ভারুয়াখালী-পিএমখালী সংযোগ সেতু বাস্তবায়ন কমিটির বেনারে হাজারো মানুষের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার বাদে জুমা ভারুয়াখালী- পিএমখালী খেয়া ঘাট সংলগ্ন স্থানে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।ডাঃ জাফর আলনের সভাপতিত্বে ,।এডঃশওকত বেলাল ও নুরুল আমিনের যৌথ পরিচালনায় হাজী শফিকুর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মতবিনিময় সভায় উক্ত সংযোগ সড়ক না হওয়ায় জনগণের অব্যাহত দূর্ভোগ ও দূর্দশা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন,চেয়ারমেন শফিকুর রহমান শিকদার,সাবেক চেয়ারমেন আমিনুল হক,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন ,সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দীন,প্রবীণ সাংবাদিক কামাল উদ্দীন রহমান পেয়ারু,এডঃনুরুল ইসলাম,সাবেক পেনেল চেয়ারমেন এবাদুল হক, বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক ওয়ার্ড মেম্বার ফজলুল হক,সাবেক মেম্বার ফরিদুল আলম,,মেম্বার মোঃ ইসলাম,মওলানা আবদুল হাকিম,শ্রমিক নেতা ছৈয়দ নূর, মৌলানা নুরুল আমিন,জহিরুল ইসলাম,শফিকুর রহমান প্রমুখ ।হাজরো জনতার দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে বক্তারা বলেন,সরকার দেশ জুড়ে যে উন্নয়নের জোয়ার শুরু করেছে,সে জোয়ারে যুগের পর যুগ অবহেলার শিকার অত্র ভারুয়াখালী বড় চৌধুরী পাড়া খেয়া ঘাটের সংযোগ সেতুটি নির্মিত হলে উক্ত এলাকার ২০ সহস্রাধিক জনগণ,কৃষক ও জেলেদের অব্যাহত দূর্দশা লাঘবের সাথে সাথে সদর উপজেলা থেকে ভৌগোলিক ভাবে বিচ্ছিন্ন ভারুয়াখালী ইউনিয়নের ৩০ সহস্রাধিক জনগণ সহজেই সদরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠার সুফল ভোগ করতে পারবে।তখনই পাল্টে যাবে ইউনিয়নের চেহেরা।সরকার গ্রামকে শহরে রুপান্তরের যে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তা বাস্তবে রুপ দিতে হলে এ সেতুটি নির্মাণ অতি জরুরী ।উপস্থিত হাজারো জনতা এক বাক্যে তাদের এ দূর্দশার চিত্র দেখতে সদর-রামু আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কাজলের সরেজমিনে পরিদর্শন কামনা করেন।উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন হওয়ায় ভিন্ন উপজেলার উপর দিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তাদের উপজেলা শহরে পৌছতে হচ্ছে ।বিশেষ করে রোগি,শিক্ষার্থী এবং জরুরী আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঠেকাতে যতক্ষণে অত্র জনপদের জনগণকে সংশ্লিষ্ট স্থানে পৌছতে সময় লাগে।তার আগেই তাদের যে অপুরণীয় ক্ষতির শিকার হতে হচ্ছে তা অবর্ণনীয়।এমনকি উপজেলা শহর থেকে অত্র ইউনিয়নের দূরত্ব এবং দূর্গম এলাকা হওয়ায় অনেক জীবন অকালে ঝরে পড়েছেন বলে বক্তারা দাবি করেন।দাবিকৃত সংযোগ সেতুর স্থলের নদীর উত্তর পাশে ভারুয়াখালী ইউনিয়ন হলেও নদীর দক্ষিণ পাশে ভারুয়াখালী মৌজাভূক্ত প্রায় ২শ একর ধান চাষ ও লবন চাষের জমি রয়েছে ভারুয়াখালী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মালিকানাধীন ।তবে ঐ জমিগুলো ভিন্ন ইউনিয়ন পিএমখালীর সাথে একাকার।যুগযুগ ধরে ঝড় বৃষ্টি ,জোয়ার ভাটা এবং ঘুর্নিঝড ,জলোস্বাসের সাথে যুদ্ধ করে খেয়াঘাট পার হয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হচ্ছে অত্র ইউনিয়নের কৃষক-জেলেদের ।যদি এ সংযোগ সেতুটি নির্মাণে মাননীয় সাংসদ মহোদয় ও সরকার আন্তকযরিক হয় তাহলে এ বিশাল জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতা পরবর্তী অব্যাহত দূর্দশা লাঘব হলেই বর্তমান সরকারের উন্নয়নের জোয়ারে উক্ত জনপদের বাসিন্দারা অংশিদার হবে।অবিলম্বে তারা সরেজমিনে মাননীয় সাংসদ ,উপজেলা চেয়ারমেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের পরিদর্শন কামনা করেছেন।পরে উপস্থিত জনতাকে আনন্দ দিতে দক্ষিণ চট্রগ্রামের আঞ্চলিক গান সম্রাট নুরুল আলম কুতুবীর কন্ঠে গান পরিবেশিত হয়।

Leave a comment